কোষ্ঠকাঠিন্য ও এনাল ফিসার (Constipation & Anal fissure): ৫টি গুরুত্বপূর্ণ দিক

কোষ্ঠকাঠিন্য ও এনাল ফিসার (Constipation & Anal fissure): ৫টি গুরুত্বপূর্ণ দিক

এনাল ফিসার হলো পায়ুপথের ভেতরের অংশে ছোট একটি ক্ষত বা ফাটল। এটি সাধারণত মলদ্বারের ভেতরের সংবেদনশীল চামড়া ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে হয়। শিশুদের মধ্যে এনাল ফিসারের প্রধান কারণ হলো দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য। যখন শিশুর মল খুব শক্ত হয় এবং সেটি বের করার জন্য অতিরিক্ত চাপ দিতে হয়, তখন মলদ্বার অতিরিক্ত প্রসারিত হয়ে যায়। এর ফলে ভেতরের নরম চামড়া ছিঁড়ে গিয়ে ক্ষত তৈরি হয়। এই ক্ষত থেকে রক্তপাত হতে পারে এবং মলত্যাগের সময় তীব্র ব্যথা হয়।

এনাল ফিসার হলো পায়ুপথের ভেতরের অংশে ছোট একটি ক্ষত বা ফাটল, যা সাধারণত মলদ্বারের ভেতরের সংবেদনশীল চামড়া ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে হয়। শিশুদের মধ্যে এনাল ফিসারের প্রধান কারণ হলো দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য। যখন শিশুর মল খুব শক্ত হয় এবং সেটি বের করার জন্য অতিরিক্ত চাপ দিতে হয়, তখন মলদ্বার অতিরিক্ত প্রসারিত হয়ে যায়। এর ফলে ভেতরের নরম চামড়া ছিঁড়ে গিয়ে ক্ষত তৈরি হয়। এই ক্ষত থেকে রক্তপাত হতে পারে এবং মলত্যাগের সময় তীব্র ব্যথা হয়।

অনেক সময় শিশুরা এই ব্যথার কারণে পরবর্তী সময়ে মলত্যাগ করতে ভয় পায় এবং মল চেপে রাখে। এর ফলে মল আরও শক্ত হয়ে যায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের একটি ক্ষতিকর চক্র তৈরি হয়। এই চক্র এনাল ফিসারকে সহজে সারতে দেয় না এবং শিশুর দৈনন্দিন জীবনে অস্বস্তি তৈরি করে। এনাল ফিসার শিশুদের মধ্যে একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি অবহেলা করলে দীর্ঘস্থায়ী জটিলতা তৈরি করতে পারে। সময়মতো খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, পর্যাপ্ত পানি খাওয়া এবং টয়লেট ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে এ সমস্যা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা যায়। অভিভাবকদের উচিত শিশুর প্রতিটি লক্ষণ গুরুত্বের সাথে দেখা এবং প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া

১) কোষ্ঠকাঠিন্য ও তার প্রভাব

কোষ্ঠকাঠিন্য হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শিশুর মল শক্ত হয়ে যায় এবং সেটি বের করতে অনেক চাপ দিতে হয়। এর ফলে মলদ্বার প্রসারিত হয়ে যায় এবং এনাল ফিসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ব্যথার কারণে অনেক শিশু পরের বার মলত্যাগ করতে ভয় পায় এবং মল চেপে রাখে। এর ফলে মল আরও শক্ত হয়ে যায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের একটি ক্ষতিকর চক্র তৈরি হয়। এই চক্র এনাল ফিসারকে সহজে সারতে দেয় না এবং শিশুর দৈনন্দিন জীবনে অস্বস্তি তৈরি করে।

২) লক্ষণ

কোষ্ঠকাঠিন্য হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শিশুর মল শক্ত হয়ে যায় এবং সেটি বের করতে অনেক চাপ দিতে হয়। এর ফলে মলদ্বার প্রসারিত হয়ে যায় এবং এনাল ফিসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ব্যথার কারণে অনেক শিশু পরের বার মলত্যাগ করতে ভয় পায় এবং মল চেপে রাখে। এর ফলে মল আরও শক্ত হয়ে যায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের একটি ক্ষতিকর চক্র তৈরি হয়। এই চক্র এনাল ফিসারকে সহজে সারতে দেয় না এবং শিশুর দৈনন্দিন জীবনে অস্বস্তি তৈরি করে। কোষ্ঠকাঠিন্য শিশুদের মধ্যে একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি অবহেলা করলে দীর্ঘস্থায়ী জটিলতা তৈরি করতে পারে। সময়মতো খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, পর্যাপ্ত পানি খাওয়া এবং টয়লেট ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে এ সমস্যা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা যায়। অভিভাবকদের উচিত শিশুর প্রতিটি লক্ষণ গুরুত্বের সাথে দেখা এবং প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

যদি আপনার শিশুর এনাল ফিসার বা কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে, তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ দেখা দিতে পারে। শিশুরা দাঁড়িয়ে পায়খানা করার চেষ্টা করতে পারে বা মল চেপে রাখতে পারে। মলত্যাগের সময় তীব্র ব্যথা হয় এবং অনেক সময় রক্তপাত দেখা যায়। এছাড়া পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে। এসব লক্ষণ অভিভাবকদের জন্য সতর্ক সংকেত, যা অবহেলা করা উচিত নয়।

  • দাঁড়িয়ে পায়খানা করা বা মল চেপে রাখা
  • মলত্যাগের সময় ব্যথা ও রক্তপাত
  • পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি

৩) চিকিৎসা

যদি আপনার শিশুর এনাল ফিসার বা কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে, তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ দেখা দিতে পারে। শিশুরা দাঁড়িয়ে পায়খানা করার চেষ্টা করতে পারে বা মল চেপে রাখতে পারে। মলত্যাগের সময় তীব্র ব্যথা হয় এবং অনেক সময় রক্তপাত দেখা যায়। এছাড়া পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে। এসব লক্ষণ অভিভাবকদের জন্য সতর্ক সংকেত, যা অবহেলা করা উচিত নয়। শিশুরা অনেক সময় মলত্যাগের সময় কান্না করে বা ভয় পায়। অভিভাবকদের উচিত এসব লক্ষণ গুরুত্বের সাথে দেখা এবং প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। শিশুদের এনাল ফিসার ও কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসায় মূলত জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন আনা হয় এবং মল নরম রাখার ব্যবস্থা করা হয়।

  • খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: শিশুকে ভাত, রুটি, খিচুড়ি, ডাল, তরকারি, শাক-সবজি, ফল, মাছ, ডিম, পানি ও শরবত খাওয়াতে হবে। দুধ, দুধের খাবার ও মাংস কম খাওয়াতে হবে। চিপস, কেক, চানাচুর, বিস্কুট, চকলেট, নুডুলস বা প্যাকেটজাত বাইরের খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
  • পর্যাপ্ত পানি খাওয়া: শিশুকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও অন্যান্য তরল পান করাতে হবে। এটি মলকে নরম রাখতে সাহায্য করে।
  • টয়লেট ট্রেনিং: প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে শিশুকে টয়লেটে বসার অভ্যাস করাতে হবে, বিশেষ করে খাবারের পর।

তবে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞের (Paediatrician) সাথে পরামর্শ করতে হবে। ডাক্তার প্রয়োজনে মল নরম করার জন্য ল্যাক্সেটিভ বা অন্যান্য ওষুধ দিতে পারেন। গুরুতর ক্ষেত্রে একজন শিশু সার্জারি বিশেষজ্ঞ (Paediatric surgeon) এই রোগের ব্যাপারে পরামর্শ দেন।

৪) প্রতিরোধ

শিশুদের এনাল ফিসার ও কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসায় মূলত জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন আনা হয় এবং মল নরম রাখার ব্যবস্থা করা হয়। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে শিশুকে ভাত, রুটি, খিচুড়ি, ডাল, তরকারি, শাক-সবজি, ফল, মাছ, ডিম, পানি ও শরবত খাওয়াতে হবে। দুধ, দুধের খাবার ও মাংস কম খাওয়াতে হবে। চিপস, কেক, চানাচুর, বিস্কুট, চকলেট, নুডুলস বা প্যাকেটজাত বাইরের খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। শিশুকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও অন্যান্য তরল পান করাতে হবে। এটি মলকে নরম রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে শিশুকে টয়লেটে বসার অভ্যাস করাতে হবে, বিশেষ করে খাবারের পর। তবে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞের (Paediatrician) সাথে পরামর্শ করতে হবে।

ডাক্তার প্রয়োজনে মল নরম করার জন্য ল্যাক্সেটিভ বা অন্যান্য ওষুধ দিতে পারেন। গুরুতর ক্ষেত্রে একজন শিশু সার্জারি বিশেষজ্ঞ (Paediatric surgeon) এই রোগের ব্যাপারে পরামর্শ দেন। কোষ্ঠকাঠিন্য ও এনাল ফিসার প্রতিরোধে শিশুর খাদ্যাভ্যাসে আঁশযুক্ত খাবার, পর্যাপ্ত পানি এবং নিয়মিত টয়লেট অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। শিশুকে বাইরের প্যাকেটজাত খাবার থেকে দূরে রাখতে হবে এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াতে হবে। অভিভাবকদের সচেতনতা ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণই প্রতিরোধের মূল।

৫) শেষ কথাঃ

কোষ্ঠকাঠিন্য ও এনাল ফিসার শিশুদের মধ্যে একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি অবহেলা করলে দীর্ঘস্থায়ী জটিলতা তৈরি করতে পারে। সময়মতো খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, পর্যাপ্ত পানি খাওয়া এবং টয়লেট ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে এ সমস্যা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা যায়। অভিভাবকদের উচিত শিশুর প্রতিটি লক্ষণ গুরুত্বের সাথে দেখা এবং প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। শিশুর মলত্যাগে ব্যথা বা রক্তপাত কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। দ্রুত চিকিৎসকের কাছে গেলে শিশুর জীবন বাঁচানো সম্ভব।

মনে রাখো: শিশুর মলত্যাগে ব্যথা বা রক্তপাত কখনোই অবহেলা করো না। দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই নিরাপদ। 250464