আপনার শিশুর জন্মগত ত্রুটি ও পরিচর্যা করবেন যেভাবে

শিশুর জন্মের পর জন্মগত ত্রুটি বা congenital anomalies খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। হার্নিয়া, হাইড্রোসিল, ঠোঁট ও তালু ফাটা, কিডনি বা মূত্রনালী সমস্যার মতো সমস্যা অনেক সময় স্বাভাবিক ওষুধ বা ঘরোয়া যত্নে ঠিক হয় না। তাই অভিভাবকদের প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ করণীয় হলো শিশুর নিয়মিত পেডিয়াট্রিক চেকআপ করা। নবজাতক বা ছোট শিশুর যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ—যেমন পেটে ফোলা, প্রস্রাবে সমস্যা, খাওয়ার সমস্যা, বা শারীরিক গঠনগত অস্বাভাবিকতা—দেখলেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন শিশু সার্জারি এবং শিশু ইউরোলজির ক্ষেত্রে অত্যন্ত অভিজ্ঞ। তিনি শিশুদের জন্মগত ত্রুটি শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় অপারেশন ও চিকিৎসা প্রদানে পারদর্শী। জন্মগত ত্রুটি শুধুমাত্র শিশুর শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে না, বরং মানসিক ও সামাজিক দিক থেকেও শিশুর ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করতে পারে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা করা হলে শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত হয় এবং তারা স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে আসে।

অভিভাবকদের উচিত শিশুদের জন্য পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহ করা এবং শিশুর বৃদ্ধি ও ওজনের নিয়মিত নজর রাখা। জন্মগত ত্রুটি অনেক সময় নবজাতক অপারেশন এর মাধ্যমে সহজেই ঠিক করা যায়। ডা. আল মামুন নবজাতক ও শিশুদের জন্য অত্যাধুনিক ল্যাপারোস্কোপি, প্লাস্টিক সার্জারি এবং নিউরোসার্জারির মতো পদ্ধতি ব্যবহার করে শিশুদের জন্য নিরাপদ চিকিৎসা প্রদান করেন।

শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের নিয়মিত ফলোআপ করতে হবে এবং শিশুর শারীরিক অবস্থার যে কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করতে হবে। প্রাথমিক সতর্কতা এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ শিশুর রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আলহামদুলিল্লাহ, ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনের অভিজ্ঞতায় রাজশাহীতে অসংখ্য শিশু জন্মগত ত্রুটি ও জটিল রোগ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে।

📞 যোগাযোগ: 01623381973
📍 চেম্বার: পপুলার হাসপাতাল, ১ নং বিল্ডিং, ৯ম তলা, রুম নং ৯২২, লক্ষীপুর মোড়ের পশ্চিম পাশে, রাজশাহী
🕒 সময়: বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা